প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের অধিনে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিশ্চিতকরণে ভর্তি সহায়তা প্রদান করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মাধ্যমিক পর্যায়ে ৫,০০০ টাকা, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ৮,০০০ টাকা এবং স্নাতক ও সমমান পর্যায়ে ১০,০০০ টাকা হারে ভর্তি সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি সহায়তাঃ
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাষ্ট উপবৃত্তির পাশাপাশি মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি সহায়তা প্রদান করে থাকে। মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি সহায়তা ২০২২ এর ভিত্তিতে মাধ্যমিক পর্যায়ে ৫০০০ উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ৮০০০ ও স্নাতক পর্যায়ে ১০০০০ টাকা প্রদান করে হচ্ছে।
| অর্থবছর | শিক্ষার পর্যায় | ছাত্র সংখ্যা (জন) | ছাত্রী সংখ্যা (জন) | শিক্ষার্থীর সংখ্যা (জন) | ভর্তি সহায়তা (টাকায়) | সর্বমোট (টাকায়) |
| ২০১৪-২০১৫ | মাধ্যমিক | ৩৫ | ৩৫ | ৭০ | ১,৪০,০০০ | ২,৪১,০০০ |
| উচ্চ মাধ্যমিক | ১৬ | ০৬ | ২২ | ৬৬,০০০ | ||
| স্নাতক | ০২ | ০৫ | ০৭ | ৩৫,০০০ | ||
| ২০১৫-২০১৬ | মাধ্যমিক | ১৫ | ২৮ | ৪৩ | ৮৬,০০০ | ২,২৭,০০০ |
| উচ্চ মাধ্যমিক | ১০ | ১৭ | ২৭ | ৮১,০০০ | ||
| স্নাতক | ০৪ | ০৮ | ১২ | ৬০,০০০ | ||
| ২০১৬-২০১৭ | মাধ্যমিক | ৪৭ | ৫৫ | ১০২ | ২,০৪,০০০ | ৩,৫৮,০০০ |
| উচ্চ মাধ্যমিক | ১১ | ২৭ | ৩৮ | ১,১৪,০০০ | ||
| স্নাতক | ০৫ | ০৩ | ০৮ | ৪০,০০০ | ||
| ২০১৭-২০১৮ | মাধ্যমিক | ৪৬ | ৮৮ | ১৩৪ | ১,৬৮,০০০ | ৪,৫৭,০০০ |
| উচ্চ মাধ্যমিক | ২৭ | ২৬ | ৫৩ | ১,৫৯,০০০ | ||
| স্নাতক | ০৪ | ০২ | ০৬ | ৩০,০০০ | ||
| ২০১৮-২০১৯ | মাধ্যমিক | ৩৮ | ৪৮ | ৮৬ | ২,৯৮,০০০ | ৫,৩৭,০০০ |
| উচ্চ মাধ্যমিক | ২৪ | ১৯ | ৪৩ | ১,৫৪,০০০ | ||
| স্নাতক | ০৩ | ০৭ | ১০ | ৮৫,০০০ | ||
| ২০১৯-২০২০ | মাধ্যমিক | ৩০ | ৪৬ | ৭৬ | ৩,৮০,০০০ | ১৩,২৬,০০০ |
| উচ্চ মাধ্যমিক | ৪৪ | ৬৩ | ১০৭ | ৮,৫৬,০০০ | ||
| স্নাতক | ০৫ | ০৪ | ০৯ | ৯০,০০০ | ||
| ২০২০-২০২১ | মাধ্যমিক | ১০৭ | ১৬৭ | ২৭৪ | ১৩,৭০,০০০ | ৩৩,৮৮,০০০ |
| উচ্চ মাধ্যমিক | ৫৬ | ৮০ | ১৩৬ | ১০,৮৮,০০০ | ||
| স্নাতক | ৪৩ | ৫০ | ৯৩ | ৯,৩০,০০০ | ||
| ২০২১-২০২২ | মাধ্যমিক | ১৪২ | ২৭৮ | ৪২০ | ২১,০০,০০০ | ৪৩,৭৬,০০০ |
| উচ্চ মাধ্যমিক | ৭৫ | ১৬৭ | ২৪২ | ১৯,৩৬,০০০ | ||
| স্নাতক | ১৯ | ১৫ | ৩৪ | ৩,৪০,০০০ |
Read Also: টিন সার্টিফিকেট কি | টিন সার্টিফিকেটের সুবিধা ও অসুবিধা
আবেদনের পূর্বে কি কি করতে হবেঃ
প্রথমে প্রতিষ্ঠানপ্রধান কর্তৃক সুপারিশ গ্রহণের জন্য নির্ধারিত ফর্ম ডাউনলোড করতে হবে। তারপরে প্রিন্ট করে পূরণ করুন ও আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের নিকট থেকে সুপারিশ গ্রহণ করতে হবে। অতঃপর ছবি, স্বাক্ষর, জন্মসনদ, অভিভাবকের আইডি কার্ড ( NID ) , ও সুপারিশের কপি স্পষ্ট করে ছবি তুলতে হবে।
- প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে (যদি একাউন্ট না থাকে)
- মোবাইল ভেরিফিকেশন করতে হবে
- লগইন করতে হবে
- আবেদন করতে হবে
- ড্যাশবোর্ড থেকে আবেদন অবস্থা জানুন
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানপ্রধানের সুপারিশ (নির্ধারিত ফর্ম) ডাওনলোড করার উপায়ঃ
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানপ্রধানের সুপারিশ (নির্ধারিত ফর্ম): এখান থেকে ডাউনলোড করুন
Download: https://drive.google.com/file/d/1tjuscgu__pOGJv_Geo7O1wUjvQSpabxy/view
কিভাবে ফর্ম পূরন এবং স্বাক্ষর করবেন এই প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য নিচের ফর্ম টি দেখে নিতে পারেন।
এখানে আরো একটি ফর্ম রয়েছে, তবে এটি সবার ক্ষেত্রে প্রয়োজন না। পিতা মাতা/অভিভাবকের কর্মরত প্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রত্যয়ন পত্র/সুপারিশ (৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীর সন্তানগণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)
ভর্তি সহায়তা কখন পাবেন
আবেদন প্রাপ্তির ৪ থেকে ৬ মাসের মধ্যো সহায়তা প্রেরণ করা হয়। শিক্ষার্থী ভর্তি সহায়তায় নির্বাচিত হলে তার মোবাইলে এসএমএস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।
ভর্তি সহায়তার জন্য রেজিষ্ট্রেশন করার উপায়ঃ
ভর্তি সহায়তার জন্য প্রথমেই এই লিংকে ( http://www.eservice.pmeat.gov.bd/admission/register ) গিয়ে আপনার তথ্য দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করে নিতে হবে।
এখানে প্রয়োজনীয় সব তথ্য দিয়ে আমি রোবট নই এ টিক দিয়ে নিবন্ধন করুন।
বিঃ দ্রঃ তথ্য দেওয়ার সময় কিছু তথ্য নাও নিতে পারে, এমন হলে রিফ্রেস দিয়ে আবার চেষ্টা করুন।
নিন্ধন নিশ্চিত করার জন্য আপনার দেওয়া নাম্বারে একটি কোড যাবে
নিচের ধাপে সেই কোড জমা দিয়ে রেজিষ্ট্রেশনটি সম্পর্ন করুন।
রেজিষ্ট্রেশন তো হলো এখন মূল কাজ হলো আবেদন করা, তো চলুন শুরু করি।
ভর্তি সহায়তার আবেদন করার উপায়ঃ
প্রথমেই এই লিংকে ( http://www.eservice.pmeat.gov.bd/admission/login ) গিয়ে রেজিষ্ট্রেশন এর সময় ব্যাবহারকৃত ইমেল এড্রেস এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করুন।
আবেদন করুন লেখাটিতে ক্লিক করুন।
এখানে আপনার ছবি,সাক্ষর,জন্ম নিবন্ধন এবং অভিভাবকদের জাতীয় পরিচয় পত্র দিয়ে সংরক্ষন করুন।
সব ডকুমেন্টস ঠিকঠাক জমা নিলে Success দেখাবে।
এখন পরের ধাপে সাধারণ তথ্য,অভিভাবকের তথ্য,ভর্তিকৃত প্রতিষ্ঠানের তথ্য ও ব্যাংক/মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্টের তথ্য নিচের মত করে পূরন করুন।
সব তথ্য দিয়ে সংরক্ষন এ ক্লিক করুন।
পরের ধাপে সাধারণ তথ্য, অভিভাবকের তথ্য, ভর্তিকৃত প্রতিষ্ঠানের তথ্য ও ব্যাংক/মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্টের তথ্য নিচের মত করে পূরন করুন।
সব তথ্য দিয়ে সংরক্ষন করুন।
সব কিছু ঠিক থাকলে প্রথম ধাপে চূরান্ত দাখিল করুন।
নোটঃ চূরান্ত দাখিল করার পর তথ্য সংশোধন করার কোন সুযোগ নেই বিধান চূড়ান্ত দাখিল করার আগেই সব চেক করে নিতে হবে।
এরপর ড্যাসবোর্ড ওপেন করুন
এখানে একটি আবেদন নাম্বার দেখতে পারবেন, সেটির উপর ক্লিক করুন
নিচের পর্যায়ে সর্বশেষ পরিক্ষার নাম্বার/সনদ পত্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানপ্রধানের সুপারিশকৃত (নির্ধারিত ফর্ম), এবং অভিভাবকের কর্মরত প্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রত্যয়ন পত্র/সুপারিশ (৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীর সন্তানগণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়) জমা দিতে হবে।
এরপর আপনাকে একটি ফর্ম দেওয়া হবে সেটি ডাওনলোড করে রাখবেন। কলেজ থেকে চাইলে জমা দিতে হবে।
নোটঃ আবেদনের কাজ এখানেই শেষ, এখন যদি নির্বাচিত হয়ে থাকেন তবে মেসেজের মাধ্যমে জানিয়ে দিবে।
আবেদনের শেষ তারিখঃ ২৯/০৯/২২





















Post a Comment